Uncategorized

২২.৬৯ লক্ষ কোটি টাকার ঋণ ম্যানেজ করাটাই কঠিন চ্যালেঞ্জ আরবিআই -এর কাছে – Kolkata24x7

মুম্বই: রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ হল কেন্দ্র এবং রাজ্য গুলির জন্য ঋণটা ম্যানেজ করা। ।যেহেতু বাজেটে এই ঋণের পরিমাণ ১৪.২১ লক্ষ কোটি টাকা থাকলেও সেটা বাড়িয়ে ২২.৬৯ লক্ষ কোটি টাকা করা হয়েছে। কেন্দ্র ২০২০-২১ সালের জন্য ঋণের পরিমাণ ধরেছিল ৭.৮ লক্ষ কোটি টাকা। সেটা বর্তমানে বাড়িয়ে ১২ লক্ষ কোটি টাকা করা হয়েছে । অন্যদিকে রাজ্যগুলির ঋণের পরিমাণ ২০২০-২১ সালের জন্য করা হয়েছিল ৬.৪১ কোটি টাকা, সেটাও এখন বাড়িয়ে ১০.৬৯ লক্ষ কোটি টাকা‌ করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, যেহেতু বাজার থেকে ঋণ নেওয়াটা গোটা অর্থনীতির আর্থিক সঞ্চয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা থাকে। সে ক্ষেত্রে এই অর্থনীতিতে আর্থিক সঞ্চয়ের পরিমাণ জিডিপির ৭ শতাংশের ভিতরে থাকতে হয়। অর্থাৎ এই অংকটা দাঁড়ায় মোটামুটি ১৪ লক্ষ কোটি টাকা। তাছাড়া আবার এই অংকটা কমে আসতে পারে অর্থনীতি গতি ধীর হলে। কারণ করোনা এবং লকডাউন‌ স্বাভাবিক বাণিজ্যিক এবং অর্থনৈতিক কার্যকলাপ স্তব্ধ করে দেওয়ায় তখন আয়ের স্তর নেমে যাবে, কর্মহীন হতে থাকবে, বেতন কাটা যাবে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা কেন্দ্রের কাছে বহুদিন যাবৎ দরবার করছিল ফিস্ক্যাল রেস্পন্সিবিলিটি বাজেট ম্যানেজমেন্ট (এফ আর বি এম) আইনে কিছু ছাড়ের ব্যবস্থা করে যাতে জিডিপির ৩ শতাংশের বদলে ৫ শতাংশ করা হয়। ‌

এর ফলে রাজ্যগুলির আরও কিছুটা ঋণ নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ছে জো যা দিয়ে আয়ের ঘাটতি‌ এবং অতিরিক্ত খরচ মেটানো সম্ভব হয়। এক্ষেত্রে রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হল কম খরচে ওই ঋণের ব্যবস্থা করা নইলে বাজারে সুদের হার বেড়ে যাবে।

কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলির ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার হিসেবে‌‌ রিজার্ভ ব্যাংক বন্ডের ব্যবস্থা করে ব্যাংক-বিমা প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি লগ্নিকারীদের সঙ্গে নিয়ে। যেটা অবশ্যই একটা কঠিন কাজ এগুলিকে ম্যানেজ করা। ইতিমধ্যে কিছু রাজ্য উচ্চ হারে ঋণ নিতে দেখা গিয়েছে। যেমন কেরল ২০০০ কোটি টাকা তুলেছে ৮.৯৬ শতাংশ হারে। এটা রীতিমতো উচ্চহার কারণ ট্রিপল এ রেটিং সম্পন্ন কর্পোরেট সংস্থাও এতটা সুদ দেয় না।

সাধারণত দেখা যায় কেন্দ্রীয় সরকার বাজার থেকে টাকা তোলে ৬ শতাংশ হারে এবং রাজ্যগুলি তোলে ৭-৮ শতাংশ হারে। বর্তমানে রিজার্ভ ব্যাংক রাজ্য সরকার গুলির পাশে দাঁড়াতে ওভারড্রাফট ফেসিলিটি বাড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া অর্থমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন, সব রাজ্য তাদের কোটা অনুসারে প্রথম দুই মাসে ঋণ নেয়নি। অর্থাৎ তিনি বোঝাতে চেয়েছেন রাজ্যগুলির ঋণের পরিমাণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নাও হতে পারে।

রাজ্যগুলির অতিরিক্ত ঋণ নেওয়াটার সঙ্গে সংস্কারের একটা যোগ রয়েছে। অতিরিক্ত ০.৫০ শতাংশের জন্য কোনও শর্ত রাখা হচ্ছে না অর্থাৎ এই অংশটা রাজ্যগুলি তাদের প্রয়োজন মত তুলে নিতে পারবে। পরের ১ শতাংশ নেওয়া যাবে চার বারে ০.২৫ শতাংশ করে, তবে সেক্ষেত্রে দেখাতে হবে সংস্কারের জন্য কি ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শেষ অতিরিক্ত০ .৫০ শতাংশ‌ তখনই মিলবে যদি দেখাতে পারে স্টিমুলাস প্যাকেজে থাকা চারটির মধ্যে তিনটিতে সংস্কারের মাইলস্টোন অর্জন করেছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: