Uncategorized

বেধড়ক মা’র থেকে চ’রম স’ন্দেহ, একাধিকবার শা’রীরিক নি’র্যাতনের শি’কার হয়েছিলেন ঐশ্বর্য!

ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন এবং সলমন খান । বি টাউনের চর্চিত কাপলদের মধ্যে অন্যতম। তাদের প্রেম থেকে ব্রেক আপ সবটাই যেন চর্চিত বিষয়। সেই গদগদ প্রেম আজ অতীত। শা’রীরিক নি’র্যাতন,সন্দে’হ, পরকীয়া, মা’রধ’র সব কিছুই সহ্য ক’রতে হয়েছে প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়াকে। বর্তমানে কথা বলা তো দূ’রহস্ত মুখ দেখাও ব’ন্ধ। কিন্তু তাদের বি’চ্ছেদের পিছনে দায়ী কোন কারণ, যা নিয়ে এখনও উত্তাল বি-টাউন। বলি লাভ বার্ডসের ব্য’র্থ প্রেমের কাহিনি জে’নে নিন একনজরে।

বলিউডের প্রথম সারির তাবড় তাবড় অভিনেত্রীরা তাদের ফিল্মি কেরিয়ার শুরু করেছিলেন দক্ষিণী সিনেমা দিয়েই। বলিউডে আসার আগে বেশ কয়েকটি দক্ষিণী ছবিতেই নজর কেড়েছিলেন ঐশ্বর্য। প্রাক্তন বিশ্ব সু’ন্দরী ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনও নিজে’র কেরিয়ার শুরু করেছিলেন তামিল ছবি দিয়ে। ১৯৯৭ সালে মনিরত্নমের ছবি ‘ইরুভার’-এ তাকে প্রথম দেখা গিয়েছিল।

বলিউডের প্রাক্তন বিশ্বসু’ন্দরী। বি-টাউনে একের পর এক অভিনেতার স’ঙ্গে বারবার নাম জড়িয়েছে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের। অভিনয় থেকে রিলেশন সবসময়েই লাইমলাইটের শী’র্ষে থেকেছেন বচ্চন বধূ।

বলিউডে পা রাখার পর হাম দিল দে চুকে সানাম, তাল, দেবদাস, মহব্বতে, একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া। সমস্ত পরিচালক-প্রযোজকরাই তাদের ছবিতে কাস্ট ক’রতে চাইছিলেন ঐশ্বর্যকে।

কেরিয়ার যখন মধ্যগগণে,তখনই ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমায় সলমন খানের স’ঙ্গে ডেটিং করছিলেন ঐশ্বর্য। বি-টাউনে তখনও সেভাবে জমি পাকাতে পারেন নি ঐশ্বর্য। অন্যদিকে সলমন বেশ প্রতিষ্ঠিত।

সলমন খান ঐশ্বর্যর স’ঙ্গে রিলেশনের আগে সোমি আলির স’ঙ্গে স’স্পর্কে ছিলেন। তাদের দুজনের ঘনিষ্ঠতা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারেননি সোমি। অগত্যা সলমনকে ছেড়ে বিদেশে চলে যান সোমি। ঐশ্বর্যও সেই শূন্যস্থান আরও তাড়াতাড়ি ভরাট করে দিয়েছিল।

সলমনের পরিবারের স’ঙ্গে ও ভাল স’স্পর্ক হয় ঐশ্বর্য। একদিকে মিডিয়াতে তখন তাদের প্রেম খবরে উত্তাল আর অন্যদিকে ঐশ্বর্যকে বি-টাউনে প্রতিষ্ঠিত ক’রতে উঠে পড়ে লাগেন সলমন।

কেরিয়ার থেকে ব্য’ক্তিগত জীবন, সবেতেই সিদ্ধা’ন্ত নিতে শুরু করেন সলমন। পরিচালক সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘তাল’ ছবিতে অফার আসে ঐশ্বর্যর। কিন্তু সুভাষ ঘাইয়ের স’ঙ্গে অন্য নায়িকাদের অনেক গসিপই বাজারে ছড়িয়েছিল।

সলমন তখন অ্যাশকে ছবিতে কাজ ক’রতে বারণ করে। কিন্তু অ্যাশ সেই ছবি ক’রতে রাজি নন। ছবিটি বক্স অফিসে হিটও করেছিল। সূত্র থেকে জা’না যায় এক পার্টিতে সুভাষ ঘাই ঐশ্বর্যা নিয়ে এমন কিছু বলেছিলেন যার কারণে সুভাষকে চড় মা’রেন সলমন।

নিজে’র হাতে বি-টাউনে ঐশ্বর্যাকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সলমন। তাদের অনেকটাই নিজে’র ভেবে নিয়েছিলেন তাকে। আর তখই হরিণ শি’কার মা’মলায় নাম জড়ায় ভাইজানের। এর মধ্যে প্রাক্তন প্রেমিকা সোমিকে নিয়ে নানা জল্পনা শোনা যায়।

তারপর থেকেই মদের প্রতি আসক্তি আর ঐশ্বর্যর প্রতি অধিকার ফলানো শুরু হয় সলমনের। নিজেদের পাগলপান্তির জন্যই বারবার শিরোনামে আসে তাদের বহুলচর্চিত প্রেম।

একবার একটি অনুষ্ঠানে সানগ্লাস পরে পুরস্কার নিতে ওঠেন ঐশ্বর্য। যা দেখে অনেকেরই খটকা লাগে। ঐশ্বর্য বলেছিলেন চোখে ইনফেকশন হয়েছে। কিন্তু বলি মহলের অন্দরে অন্য কোথা শোনা যাচ্ছিল। সলমন নাকি অকারণেই তার গায়ে হাত দিয়েছিলেন। প্রথমে স্বী’কার না করলেও পরে মেনে নিয়েছিলেন ঐশ্বর্য।

একবার নয়, একাধিকবার শা’রীরিক নি’র্যাতনের শি’কার হয়েছেন ঐশ্বর্য। যদিও সলমন একথা আজও স্বী’কার করেননি। একবার নয়, একাধিকবার শা’রীরিক নি’র্যাতনের শি’কার হয়েছেন ঐশ্বর্য। যদিও সলমন একথা আজও স্বী’কার করেননি।

ঐশ্বর্য নিজেও আর এই স’স্পর্ক রাখতে চাননি। এমনকী তার পরিবারও সলমনকে মেনে নেয় নি। ‘কুছ না কাহো’ ছবির সেটে গিয়েও অসভ্য আচরণ করেছিলেন সলমন। ছবিতে ঐশ্বর্যর বিপরীতে অভিষেককেই দেখা গিয়েছিল।

ইন্ডাস্ট্রির সকল অভিনেতাদের স’ঙ্গে ই ঐশ্বর্যকে সন্দে’হ ক’রতেন সলমন। তারপর তাদের বিচ্ছদের খবরে উত্তাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

তারপরই বলি অভিনেতা বিবেক ওবেরয়ের স’ঙ্গে তার নাম জড়ায় ঐশ্বর্য। যদিও সেই স’স্পর্কও বেশিদিন টেকেনি। সল্লু ভাই নাকি বিবেককেও হু’মকি দিয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: