Uncategorized

বানিয়াচংয়ে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের পর লাশ গুম: ধর্ষক গ্রেফতার

….শরিফ চৌধুরী, হবিগঞ্জ থেকে।

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়নের ছিলারাই গ্রামে ৯ বছর বয়সী ৪র্থ শ্রেণী পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ গুম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

খবর পেয়ে পুলিশ সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সে ধর্ষণের পর লাশ ডোবায় লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করলে পুলিশ ধর্ষিতার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার পিতা ছিলারাই গ্রামের প্রভাত সরকার বাদী হয়ে ধর্ষক একই গ্রামের হগেন্দ্র সরকারের পুত্র রিংকু সরকার (১৯) এর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করলে (মামলা নং-১৫ তারিখ ১৮/৫/২০২০) আসামীকে কোর্টে চালান করা হয়।

আদালতে রিংকু ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ছিলারাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী ও ছিলারাই গ্রামের প্রভাত সরকারের ৯ বছর বয়সী কন্যাকে গত ১৫ মে সন্ধ্যা থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় প্রতিবেশী হগেন্দ্র সরকারের ছেলে বখাটে রিংকু’র সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করে প্রভাত বিষয়টি স্হানীয় ইউপি মেম্বার আবুল কালামকে জানান।

মেম্বার বিষয়টি বানিয়াচং থানা পুলিশকে অবগত করলে ওসি ইমরান আহমেদ, ওসি (তদন্ত) প্রজিত কুমার দাশ, এসআই হীরক চক্রবর্তী, এসআই আঃ ছাত্তারসহ একদল পুলিশ পরদিন ছিলারাই গ্রামে গিয়ে সন্দেহভাজন কিংকুকে আটক করে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে সে অপহরণ করে ধানের খলায় নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে ডোবায় লাশ গুম করে রাখার কথা স্বীকার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ডোবা থেকে ১৭ মে রাতে লাশ উদ্ধার করা হয়।

এসআই হীরক চক্রবর্তী লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন। ১৮ মে নিহতের পিতা মামলা দায়ের করলে অবশেষে আসামী রিংকুকে আদালতে চালান করা হয়। মামলাটির আইও নিযুক্ত করা হয়েছে এসআই আঃ ছাত্তারকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: