গৌতম বুদ্ধেরধর্মপ্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে গৌতম বুদ্ধের আদর্শে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান


গৌতম বুদ্ধের আদর্শ ধারণ ও লালন করে সবাই বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে এ আশা প্রকাশ করে বলেন,‘আমি আশা করি, গৌতম বুদ্ধের আদর্শ ধারণ ও লালন করে সকলে বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়ে

তুলতে ভূমিকা রাখবেন।’মহামতি গৌতম বুদ্ধের জন্ম, মৃত্যু ও বোধিজ্ঞান লাভের স্মৃতিবিজড়িত শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে শেখ হাসিনা বৌদ্ধ সম্প্রদায়সহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।প্রধানমন্ত্রী

বলেন,বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমান কাল থেকে এদেশে প্রত্যেক ধর্মের মানুষ উৎসব মুখর পরিবেশে নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করে আসছেন। এই সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে সমুন্নত

রাখতে বৌদ্ধ ধর্মের নেতাদের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।‘করোনা ভাইরাস সংক্রমণে বর্তমানে বিশ্ব বিপর্যস্ত। ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে মহামারী হিসেবে আখ্যায়িত করেছে’ উল্লেখ করে তিনি

এ প্রেক্ষাপটে সবাইকে জনসমাগম এড়িয়ে এবারের বুদ্ধ পূর্ণিমা উদ্যাপনের আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, সাম্য ও

মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন। শান্তি ও সম্প্রীতির মাধ্যমে আদর্শ সমাজ গঠনই ছিল তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।তিনি বলেন, বুদ্ধ সত্য ও সুন্দরের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব জগতকে আলোকিত করতে কাজ করে গেছেন।

মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তার জীবনাদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণ করা প্রয়োজন।বুদ্ধ পূর্ণিমা বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মানুষের জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক- এ কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী । সূত্র : বাসস 

গার্মেন্টস মালিকরা সরকারের সঙ্গে একের পর এক প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছেন, মিথ্যাচার

করছেন। তাদের পোশাক কারখানাগুলো খোলা রাখার জন্য হেন অপকর্ম নেই, যেটা

তারা করছেন না। সর্বশেষ তাদের মিথ্যাচার হলো স্বল্প পরিসরে

কারখানাগুলো চালু করা। এই পোশাক কারখানাগুলো চালু করার ক্ষেত্রে তারা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আশ্বাস দিয়েছিলেন শুধু ঢাকা এবং এর আশেপাশের শ্রমিকদের দিয়ে

সীমিত আকারে কারখানা চালু করা হবে। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তারা যে চরম

মিথ্যাচার করলো তার প্রমাণ পেতে ২ ঘন্টাও অপেক্ষা করতে হয়নি। গার্মেন্টসের

ম্যানেজাররা বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিকদের ফোন করে হুমকি ধ্মকি দেন এবং এই মর্মে

শাসান যে, যদি কাজে যোগদান না করেন, তাহলে তাদের চাকরি চলে যাবে। চাকরি

হারানোর ভয়ে এবং বেতন পাওয়ার আশায় শ্রমিকরা তড়িঘড়ি করে ঢাকায় ছুটতে

থাকেন। এটিই ছিল সরকারি আ-ইনের লঙ্ঘন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যে গার্মেন্টস

মালিকরা অঙ্গীকার করেছিলেন তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

কিন্তু লক্ষ্যণীয় যে, গার্মেন্টস মালিকরা এতই ক্ষমতাবান যে সরকার বারবার তাদের কাছে

পরাজিত হচ্ছে। সরকার তাদের ইচ্ছার কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে। এর

সর্বশেষ উদাহরণ যে, গার্মেন্টস মালিকরা ঠিকই সারাদেশ থেকে শ্রমিকদের ঢাকা নিয়ে

আসছেন। এখন সিদ্ধান্ত দেওয়া হলো যে, ফ্যাক্টরি আইডি কার্ড ছাড়া তাদের ঢাকায়

প্রবেশ নিষিদ্ধ। তাহলে প্রশ্ন ওঠে যে, ফ্যাক্টরি আইডি কার্ড থাকলে কি করোনার

সংক্রমণ হবে না?

ফ্যাক্টরি আইডি কার্ড থাকলেই কি তিনি করোনা মুক্ত হয়ে গেলেন? ফ্যাক্টরি আইডি

কার্ড থাকলে কি তিনি করোনা সংক্রমিত করবেন না? ফ্যাক্টরি আইডি কার্ড থাকা মানেই

কি তিনি করোনা ছড়ানোর সব আশঙ্কা থেকে পরিত্রাণ পেলেন? গার্মেন্টস মালিকদের

কাছে অসহায় আত্মসমর্পন করে এরকম উদ্ভট সিদ্ধান্ত জনমনে প্রশ্ন তুলেছে যে কেন

গার্মেন্টস মালিকদের কাছে সরকার এত অসহায়?



Source link

Tags

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
%d bloggers like this: