Uncategorized

তিন বেলা বিরিয়ানি ও এসি রুম চান কোয়ারেন্টিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লন্ডন প্রবাসী

প্রশাসনের কর্মকর্তাদের, ‘ছোট চাকরি করেন, নিচু মানসিকতার লোক’ ইত্যাদি বলতে থাকেন তিনি

গত ১১ মে দেশে ফেরেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার লন্ডন প্রবাসী মো. মাসুম চৌধুরী। নিয়মানুযায়ী ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা থাকলেও মানছিলেন না তিনি। খবর পেয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তার বাড়ি গিয়ে কোয়ারেন্টিন মানার অনুরোধ করলে উল্টো অসদাচরণ করতে শুরু করেন ওই প্রবাসী।

তিনি বলেন, “লন্ডনে টেস্ট করা হয়েছে। আবার কেন বাংলাদেশে টেস্ট করতে হবে? আমি বাসা থেকে বের হবো। হোমকোয়ারেন্টিন মানব না। প্রয়োজনে আমি ব্রিটিশ হাইকমিশনে আপনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবো।”

খবর পেয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গেলে তার সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন তিনি। 

অবশেষে বিষয়টির সমাধান করতে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে তার বাড়িতে যান উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা আক্তার। ওই প্রবাসী তাকেও পাত্তা দিচ্ছিলেন না। খবর পেয়ে ছুটে যান নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজমা আশরাফী।

সেনাবাহিনীর টহল টিম, পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদেরকে নিয়ে গিয়ে আবারও তাকে হোমকোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়। 

এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের, “ছোট চাকরি করেন, নিচু মানসিকতার লোক” ইত্যাদি বলতে থাকেন তিনি।

একপর্যায়ে পিপিই পরিয়ে ইউএনও তাকে আটকের নির্দেশ দিলে ওই প্রবাসী কিছুটা নমনীয় হয়ে আসেন। এবার তিনি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে যাওয়ার জন্য রাজি হলেও তিনি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ (এসি) ও অ্যাটাচ বাথরুমের দাবি জানান। পরে তাকে পার্শ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

এদিকে, শেষ পর্যন্ত ওই প্রবাসী বিজয়নগরে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে যেতে রাজি হলেও তিন বেলা বিরিয়ানি দাবি করেছেন।

নাসিরনগরের ইউএনও নাজমা আশরাফী জানান, এর আগেও ওই পরিবারের দুইজন আমেরিকা প্রবাসী সদস্য তথ্য গোপন করে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করেছিলেন। পরে তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। 

ওই প্রবাসী ও তার পরিবারের আচরণ দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ায় ধর্মবিশ্বাসীর সংখ্যা ব্যাপক হারে কমলেও অন্যান্য ধর্মের তুলনায় ইসলাম সবচেয়ে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে বলে এক জরিপ থেকে জানা গেছে।

দেশটির আদমশুমারিতে দেখা গেছে, ২০০৬ সালের আদমশুমারির পর থেকে সেখানে মুসলমানের সংখ্যা শতকরা ৪০ ভাগ বেড়েছে। অন্যদিকে খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা ১৯৭৬ সালের পর থেকে গত ৩৫ বছরে কমে শতকরা ৬১ ভাগে দাঁড়িয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৭৬ সালে মুসলমানের সংখ্যা ছিল মাত্র ৪৪ হাজার ৭১ জন। কিন্তু এখন দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা ৪ লাখ ৭৬ হাজার ২৯১ জন।

অর্থাত্ তখন থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা দশগুণ বেড়েছে। মুসলমানরা এখন অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যার শতকরা ২ দশমিক ২ ভাগ। গত ৫ বছরে তাদের সংখ্যা বেড়েছে শতকরা ৪০ ভাগ। অমুসলিমদের মধ্যে ধর্মবিশ্বাসীর সংখ্যা কমছে।

২০০৬ সালের পর থেকে কোনো ধর্মে বিশ্বাসী নন এমন নাগরিকের সংখ্যা বেড়েছে শতকরা ২৯ ভাগ। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার শতকরা ১৮ ভাগ নাগরিক (৩৭ লাখ) বলেছিলেন, তারা কোনো ধর্মে বিশ্বাস করেন না। আসলে বহু বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় ধর্মবিশ্বাসীর সংখ্যা কমে আসছে। কমে আসছে খ্রিস্টানের সংখ্যাও।

১৯১১ সালে দেশটির শতকরা ৯৬ ভাগ নাগরিক ছিলেন খ্রিস্টান। ১৯৭৬ সালে এ হার ছিল শতকরা ৮৯ ভাগ। ৩৫ বছর পর এখন দেশটিতে এ হার ৬১ শতাংশ।



Source link

Tags

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: