Uncategorized

জাতীয় সংসদে ৫৮ জন করোনা আক্রান্ত

জাতীয় সংসদ ভবনে কর্মরত ৫৮ জন আনসার সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া, এখন পর্যন্ত বাহিনীতে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মোট ১৬১ জন সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। তাদের মধ্যে মারা গেছেন একজন।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাহিনীর জনসংযোগ কর্মকর্তা মেহেনাজ তাবাসসুম রেবিন বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে একজন উপ-মহাপরিচালক, ৬৪ জন ব্যাটালিয়ন আনসার, ৯৪ জন অঙ্গীভূত আনসার, একজন মহিলা আনসার ও

একজন নার্সিং সহকারী। আক্রান্ত ৫৮ ব্যাটালিয়ন আনসার জাতীয় সংসদ ভবনে এবং ৬৬ জন অঙ্গীভূত আনসার ঢাকা মহানগর পুলিশে কর্মরত। বাকিরা সদর দপ্তর ও বিভিন্ন জেলায় কর্মরত রয়েছে।

রেবিন আরও জানান, নিজ বাসাসহ প্রাতিষ্ঠানিক ও আবাসিক কোয়ারিন্টিনে আছেন ৪৩৫ জন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, সাজেদা মেডিকেল ও রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বাহিনীর ১৫০ জন সদস্য করোনা উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আনসার সদর দপ্তরের এই কর্মকর্তা আরও জানান, আবদুল মজিদ (আইডি নং ১৩১৮৯) নামে এক জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য করোনায় মারা গেছেন। তিনি তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের

অধীনে ভাটার থানায় কর্মরত ছিলেন। গত সোমবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ায়। আক্রান্ত ১৬১ জনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১২ জন।

বিমান সেবিকা বা বিমানবালা যাই বলেন না কেন কাজটা কিন্তু একই। ফ্লাইটের নানান প্রকৃতির যাত্রীর নানান বায়না সামলানো থেকে শুরু করে তাদের সুরক্ষার দায়িত্বটা বিমানবালাদের ওপরই ন্যস্ত। বিমানে কোনো সমস্যা হলে কীভাবে যাত্রীদের শান্ত রাখতে হবে, সে গুরুভারও তাদেরই। ফলে বিমানবালাদের কাজের পরিধি বেশ লম্বা।

কিন্তু বেশ কয়েকটি এমন কাজও রয়েছে যা নিয়ে কখনোই কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। জেনে নেয়া যাক সেই পাঁচ তথ্য।

১. ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানবালাদের বেতন দেয়া হয় একেবারেই ‘ফ্লাইট টাইম’ ধরে। অর্থাৎ, বিমানের দরজা বন্ধ হওয়ার সময় থেকে গন্তব্যে পৌঁছা পর্যন্ত।

২. বেশি পরিমাণে মদ্যপান করে বিমানে উঠলে তা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে। যে কারণে বিমানবালারা নজর রাখেন সেদিকেও।

৩. বিমানে পানি চাইলে তা সব সময়ই সিল্‌ড বোতল থেকে খাওয়া উচিত। খোলা বোতল বা জগ থেকে ঢেলে দেয়া পানি না খাওয়াই ভালো।

৪. বিমানে ওঠার সময় সঙ্গে হ্যান্ড-স্যানিটাইজার থাকলে ভালো হয়। না হলে, কিছু খাওয়ার আগে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিন। চেষ্টা করুন সিটের পেছনের ট্রেতে খাবার না রাখতে।

৫. ফ্লাইট চলাকালীন জানালার শাটার খুলে রাখতে বলা হয়। এর কারণ, কোনো সমস্যা হলে তা যাতে তাৎক্ষণিক বিমানবালাদের চোখে পড়ে। এবেলা



Source link

Tags

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: