Uncategorized

চেন্নাইয়িনের সামনে আজ ‘এক্স’-ফ্যাক্টর কয়েল-ভালস্কিস – Kolkata24x7

পানাজি: জন গ্রেগরির অধীনে গত মরশুমে শুরুটা মোটেও আশানরূপ হয়েছিল না চেন্নাইয়িন এফসি’র। কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে দায়িত্ব নিয়ে পাশা পালটে দিয়েছিলেন ওয়েন কয়েল। স্কটিশ কোচের তত্ত্বাবধানে টুর্নামেন্টে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করেছিল দক্ষিণের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলটি। আর টুর্নামেন্টের সর্বাধিক গোলদাতা (১৫) হয়ে চেন্নাইয়িনের ফাইনালে ওঠার পিছনে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন নেরিজাস ভালস্কিস।

চলতি মরশুম শুরু হওয়ার আগে সেই ওয়েন কয়েল, নেরিজাস ভালস্কিসকে দলে নিয়ে চমক দিয়েছে জামশেদপুর সিটি এফসি। মঙ্গলবার আইএসএল ২০২০-২১ সিজন ওপেনারে সেই চেন্নাইয়িনের সামনে জামশেদপুর। অর্থাৎ, প্রথম ম্যাচের চেন্নাইয়িনের সামনে ‘এক্স’-ফ্যাক্টর কয়েল এবং ভালস্কিস। এছাড়া লালদিনলিয়ানা রেন্থলেইও চেন্নাইয়িন ছেড়ে চলতি মরশুমে যোগ দিয়েছেন জামশেদপুরে। তবে প্রাক্তন ক্লাবের বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর আগে এটাকে কোনওভাবেই অ্যাডভান্টেজ মানতে রাজি নন কয়েল। স্কটিশ কোচ জানাচ্ছেন, ‘নিশ্চয় আমি ওই দলটার শক্তি সম্পর্কে অবগত। কিন্তু আমার মনে হয় যখন তুমি তোমার পুরনো দলের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে তখন পুরনো দলের প্লেয়াররা তোমার সামনে নিজেকে প্রমাণের জন্য মরিয়া থাকবে। তাই আমি আমার পুরনো দল এবং ফুটবলারদের প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল।’

লিথুয়ানিয়া স্ট্রাইকার নেরিজাস ভালস্কিসের অন্তর্ভুক্তি জামশেদপুর আক্রমণের অন্যতম ভরসা। আর গত মরশুমে ৩৫ গল হজম করা কয়েলের রক্ষণকে ভরসা দিতে এসেছেন প্রাক্তন সান্ডারল্যান্ড ডিফেন্ডার পিটার হার্টলে এবং নাইজিরিয়ান সেন্টার-ব্যাক স্টিভেন এজে। অন্যদিকে চেন্নাইয়িনের কাছে গত মরশুমের সফল কোচ এবং সফল স্ট্রাইকারের অভাব পূরণই প্রাথমিক লক্ষ্য। দুই বিদেশির মধ্যে রাফায়েল ক্রিভেলারো এবং এলি সাবিয়া দলে রয়েছেন। চেন্নাইয়িনের নয়া কোচ সিসাবা লাজলোর আক্রমণে ভরসার নাম নতুন স্লোভাকিয়ান স্ট্রাইকার জাকুব সিলভাস্টার আর রক্ষণে এলি সাবিয়ার নয়া সঙ্গী এনেস সিপোভিচ।

অন্যদিনে চেন্নাইয়িনের ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মেমো আবার জামশেদপুরের প্রাক্তনী। নয়া মরশুমে অভিযান শুরুর আগে চেন্নাইয়িন অধিনায়ক ক্রিভেলারো জানাচ্ছেন, ‘আমাকে অধিনায়ক নির্বাচিত করায় আমি গর্বিত। তবে আমি এতটুকু বদলায়নি বা আমার খেলার ধরন বদলায়নি। আমার প্রধান লক্ষ্য থাকবে দলের স্ট্রাইকারদের জন্য ভালো অ্যাসিস্ট করা।’

এযাবৎ আইএসএলের মঞ্চে ৬ বার মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। দু’বারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়িন জিতেছে ২টি ম্যাচ। একটি ক্ষেত্রে জয়ী হয়েছে জামশেদপুর এফসি। তিনটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: