Uncategorized

কুয়েট থেকে হার্ভাড হয়ে এমআইটি তে – Youth Carnival

জীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে গড়া আমাদের ইউটিউব ভিডিও লাইব্রেরি – ভিজিট করুন।

Image may contain: 1 person, standing and outdoorবাংলাদেশের অনেক প্রতিভাবান, কর্মনিষ্ঠ মানুষ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেকে এবং নিজের দেশকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। নিজের ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি তারা দেশের তরুণ সমাজের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এমনই একজন মানুষের জীবনের গল্প নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।

প্রতি বছর অনেক বাংলদেশি ইঞ্জিনিয়ার উচ্চ শিক্ষার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যান কিন্তু হাতেগোনা কয়েকজন সৌভাগ্যবান হার্ভার্ডে পড়ার সুযোগ পান। আরো সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে এই প্রথম একজন কুয়েটিয়ান হার্ভার্ড এলামনাই ও হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল এলামনাই হিসেবে নিজেকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি MIT (ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি) থেকেও দুই ট্রাকের এক্সিকিউটিভ সার্টিফিকেট (Executive Certificate in Management and Leadership, Executive Certificate in Strategy and Innovation) অর্জন করেছেন, Executive Certificate in Technology, Operations, and Value Chain Management কন্টিনিউ করছেন। বলছিলাম শাহিনুর আলম জনির কথা। তার জীবনের গল্প শুরুর পূর্বে জেনে নেওয়া যাক কিছু তথ্য।

কারা ছিলেন হার্ভার্ড অ্যালামনাই, কাদের লিস্টে প্রতিনিধিত্ব করছেন শাহিনুর আলম জনি। বিখ্যাত হার্ভার্ড অ্যালামনাই লিস্টে আছেন – মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি, জর্জ ডব্লিউ. বুশ, ফ্র্যাংকলিন রুজভেল্ট, বারাক ওবামা, ফেসবুক ফাউন্ডার মার্ক জুকারবার্গ, মিট রমনি, মিশেল ওবামা, স্টিভ বালমার, জিম কচ, মেগ হোয়াইটম্যান, জেমি ডিমন, জেফ্রি ইমেল্ট, লেন ব্লাভাটনিক, বিল অ্যাকম্যান।

Facebook 

Linkedin 

Image may contain: 1 person, smiling, standing and outdoor

আসা যাক, শাহিনুর আলম জনির কথায়বর্তমানে তিনি ‘এরিকসন'(Ericsson), আয়ারল্যান্ড এ ‘সিনিয়র সল্যুশন ম্যানেজার ও প্রোগ্রাম ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত এবং ‘ইয়ুথ কার্নিভাল’ নামক একটি সামাজিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, যার ফেসবুক ফলোয়ার সংখ্যা ২৭ লক্ষ। ১৮ বছরে ৫৬টি দেশে ১১০+ মাল্টি মিলিয়নের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে শাহিনুর আলমের

Image may contain: 2 people, people smiling, people sitting and indoor

চাকরির পাশাপাশি বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে লেখাপড়া করেছেন জনি। কখনো বিজনেস, কখনো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যেমন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, বিগ ডাটা, IOT, ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিক্স , 5G ইত্যাদি নিয়েও পড়াশোনা করেছেন জনি। একটি মজার বিষয় হলো তিনি দেশের বাইরে থাকলেও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্যা শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয়। সবাই তাকে ‘জনি ভাই’ বলেই চেনে। প্রশ্ন হলো, দেশের বাইরে অবস্থান করা সত্ত্বেও তিনি কীভাবে এই নেটওয়ার্কিং বজায় রেখেছেন? আর কেনই বা তিনি এত জনপ্রিয়?

Image may contain: 2 people, people smiling, people standing and suit

শাহিনুর আলম জনি বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। বগুড়ার স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বগুড়া জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ১৯৯৭ সালে তৎকালীন বি আই টি, খুলনা অর্থাৎ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর তড়িৎ কৌশল বিভাগে ( Electrical & Electronics Engineering) ভর্তি হন। কুয়েট এ চান্স পাবার পর সবাই বলতেন – এই বিষয় পড়ে লাভ নেই, চাকরি পাবে না। আবার সিভিল না নিয়ে EEE নেবার পর পরিচিতি সব ইঞ্জিনিয়াররা বলেছিলেন – নিজের হাতে জীবন ধ্বংস করেছ, কোথাও ভালো চাকরি পাবে না। ৭ম সেমিস্টারে আন্ডারগ্র্যাড থিসিসে মোবাইল টেলিকমের লিস্টেড ২- ৩ টার মধ্যে একটি নেবার প্রবল ইচ্ছা থাকার পরও নিতে পারেননি।

অতঃপর পাওয়ার সিস্টেমের উপর থিসিস করেছেন। ২০০২ সালে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এরপর থেকেই মোবাইল কোম্পানিগুলোতে চাকরির চেষ্টা শুরু করেন। শুরু দিকে তেমন ভালো সাড়া পাননি। অধিকাংশ কোম্পানি ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকতো না। আবার যেগুলোতে ডাক পেতেন সেগুলোতে লিখিত পরীক্ষা ভালো হলেও ইন্টারভিউ সঠিকভাবে আগাতো না। গ্র্যাজুয়েশন শেষে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে “কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার” হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন। কিন্তু চাকরির খোঁজ চলতে থাকে। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ (IEB) যাতায়াত থাকার কারণে তৎকালীন ইনস্টিটিউট লিডার ইঞ্জিনিয়ার রিজু, মঞ্জুর মোর্শেদ,বাবু ভাইরা বেশ মূল্যবান কিছু উপদেশ দেন। তখন IEB ট্রেনিং সেন্টারে অনেক IT ট্রেনিং হতো। তারা সেগুলো করার পরামর্শ দেন। দুয়েকটা ট্রেনিং করার সময় Cisco আর CCNA এর খোঁজ পেয়ে ট্রেনিং করে ফেলেন ও সার্টিফিকেশন নেন। এরপরও চাইনিজ টেলিকম ভেন্ডর ZTE কর্পোরেশন্স কোম্পানিতে সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগদান করেন। এরপর হুয়াওয়ে বাংলাদেশে কিছুদিন চাকরি করেন এবং চীনে হুয়াওয়ে এর হেড কোয়ার্টারে ট্রেনিং ও OJT করেন। এরপর তিনি এরিকসন বাংলাদেশে যোগদান করেন এবং টেলিকম নেটওয়ার্ক ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্টে কাজ করেন ও মালয়েশিয়ায়ও ট্রেনিং নেন। এরিকসন বাংলাদেশে কাজ করার সময় কিভাবে সিভি লিখতে হয় ইন্টারন্যাশনাল জবের জন্য, কিভাবে ইন্টারভিউয়ের মুখোমুখি হতে হয় এই বিষয়গুলোত জ্ঞান অর্জন করেন বিদেশী সহকর্মীদের কাছ থেকে। সঠিক চ্যানেলে সঠিক সিভি পাঠানোর পরপরই ইন্টারভিউতে ডাক পেয়ে যান। তারপর তার প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও সফল ইন্টারভিউয়ের কারণে

দুবাই এরিকসন ও মিশর এরিকসনে চাকরি পান। অনেক খোঁজ খবর নিয়ে এরিকসন দুবাইয়ে যোগদান করেন কনসালটেন্ট হিসেবে এবং টেলিকম নেটওয়ার্ক ট্রান্সফরমেশন উইথ IP নেটওয়ার্কিং ও 3G নিয়ে কাজ করেন এবং আইভোরি কোস্ট ও নাইজেরিয়ায় 3G নিয়ে কাজ করেন। চাকরির পাশাপাশি Cisco আর CCNP ও PMI এর PMP নিয়ে পড়াশুনা চালিয়ে যান। ২০১০ সালে নাইজেরিয়ায় অবস্থানরত অবস্থায় বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে চাকরি হারান। উল্লেখ্য, আমরা জানি ২০০৯- ২০১০ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার ফলে পুরো বিশ্বজুড়ে চাকরি ক্ষেত্রে সংকটাবস্থা শুরু হয়। এরপর তিনি দেশে ফিরে আসেন। ২০১০ সালে ভারতের Airtel এর 3G প্রজেক্টের জন্য তিনি মনোনীত হলেও সেসময় দুর্ভাগ্য ক্রমে ভিসা পাননি। স্বাভাবিকভাবেই খুব খারাপ একটা সময় তিনি পার করছিলেন,

কিন্তু ভেঙ্গে পড়েননি, থেমে থাকেননি। অলসভাবে বসে থেকে সময় নষ্ট না করে নিজেকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য, আরো বিকশিত করার জন্য CCDP, CCIP এবং PMP সার্টিফাইড হন। তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক প্রচুর পড়াশোনা করতে থাকেন। পাশাপাশি বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোতে আবেদন করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ভাগ্যের দুয়ার খুলে যায়। ২০১১ সালে তিনি এরিকসন চায়নায় যোগদান করার সুযোগ পান এবং সবচেয়ে বড় বিষয় তিনিই প্রথম বাংলাদেশি যিনি এরিকসন চায়নায় কাজ করার সুযোগ পান। চীনে তিনি ২০১১ এবং ২০১৩ তে দুইবার ‘Best Employee’ হিসেবে আখ্যায়িত হন। কথায় আছে: ‘পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না’। আজ হোক কাল হোক সফলতা আসবেই, ঠিক যেমনটি পেয়েছিলেন শাহিনুর আলম জনি। জনি বললেন –

Image may contain: Mohammad Jony, smiling, sky, cloud, grass, outdoor and nature

২০১২ তে গ্রিসের একটি প্রজেক্ট করার শেষভাগে আমাদের দলনেতা আমাকে ডাক দেন, স্থানীয় এক ক্রেতাকে অনসাইট সাপোর্ট দেবার জন্য। কিন্তু চাইনিজ অপারেশন হেড আমাকে না পাঠিয়ে একজন জুনিয়র চাইনিজ ইঞ্জিনিয়ারকে পাঠান এবং কারণ হিসেবে বলেন, জুনিয়রদের কাজ শিখতে হবে বেশি বেশি। আর তুমি তার কাজ দেখাশোনা করো, যেন সে কোনো সমস্যায় না পড়ে। এর পরপরই পোল্যান্ডের পলকমটেলে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা চলছিল। কোনো চাইনিজ যেতে রাজি হচ্ছিলো না। তাছাড়া স্থানীয় ক্রেতারা চাইনিজদের সিভি দেখে বাদ দিয়ে দিচ্ছিলো। এদিকে কাউকে না কাউকে পাঠাতে তো হবেই। অগত্যা আমাকেই পাঠানো হলো। এদিকে স্থানীয় সেই ক্রেতার আবার আমার সিভি ভালো লেগে যায়। আমি ৬ মাস পোল্যান্ডে গিয়ে সেই প্রজেক্টের নেতৃত্ব দেই। আমি ছাড়া বাকি ২৫ জনই ইউরোপিয়ান ছিলেন। আমি খুবই দক্ষতার সাথে প্রজেক্টের নেতৃত্ব দেই এবং কাস্টমার ফিডব্যাক ৫/৫ পেয়েছিলাম। যদিও শুরুর দিকে কেউ আমার নেতৃত্বে কাজ করতে চায়নি। আমি একটা কাজ করলাম। একে ইংরেজিতে Lead By Example বলে। তাদেরকে নতুন কোনো কাজ আমি শিখিয়ে দিতাম। এরপর বলতাম বাকি কাজ তোমরা করো। এভাবে ধীরে ধীরে আমার মাঝে নেতৃত্বের গুণাবলী বিকশিত হতে থাকে এবং আমি সেই কাজটি আমার দল নিয়ে খুব সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করতে পেরেছিলাম। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শুধুই সামনের দিকে এগিয়ে চলা। এরপর চাকরির বিভিন্ন ধাপে পর্যায়ক্রমে গ্রিস, ইন্দোনেশিয়া, স্পেন, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি ও বাহরাইনে প্রজেক্টর কাজ করেছেন জনি।

Image may contain: 1 person, standing

* একজন তরুণের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে কী করণীয় হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

– বর্তমান চাকুরীর বাজার প্রতিযোগিতাময়। তাই নিজেকে যত বেশি পারা যায় প্রস্তুত করতে হবে। এজন্য একজন তরুণের অবশ্যই কিছু গুরুত্বপূর্ণ গুণ থাকতে হবে।

(1) প্যাশনেট হতে হবে (Passionate)

(2) পরিশ্রমী এবং উদ্যমী হতে হবে (Hardworking with Smartness)

(3) প্রতিনিয়ত শেখার চেষ্টা করতে হবে (Continuous Learning)

এই পয়েন্টটা একটু ব্যাখা করি। আমরা যারা প্রকৌশলী তাদেরকে অবশ্যই নতুন নতুন বিষয়গুলোকে নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। আমাদের অনেকের মধ্যেই একটা সীমাবদ্ধতা কাজ করে- আমরা চাকরি পেয়ে গেলে আর পড়াশোনা করি না। যার কারণে আমরা প্রতিযোগতাময় বিশ্বে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারি না। তাই সবসময় নিজেকে নিত্য নতুন প্রযুক্তির সাথে আপডেটেড রাখতে হবে।

(4) যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে (Effective Communication Skill). মূলত এই গুণগুলো অর্জনের মাধ্যমে একজন তরুণ যেকোনো ক্ষেত্রেই ভালো করতে পারে।

* কোন বিষয়টি আপনাকে ‘ইয়ুথ কার্নিভাল’ প্রতিষ্ঠা করতে উৎসাহিত করেছে?

– আসলে আমরা দেশের মধ্যে থেকে ভাবি যে, বহির্বিশ্বে আমাদের খুব ভাল পরিচিতি আছে। আসলে তা না। এখন কিছুটা বেড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের বদৌলতে। আমাকে অনেক বিদেশি সহকর্মী জিজ্ঞাসা করতেন আপনি কি ভারতীয়? আমি উত্তর দিতাম – না, আমি বাংলাদেশি। তখন তারা নামটা শুনে অবাক হয়ে বলতো – বাংলাদেশ! তখন আমাকে বাধ্য হয়ে বলতে হতো – ভারতের প্রতিবেশী দেশ হলো বাংলাদেশ। এভাবে নিজের দেশের পরিচয় দিতে আমার খুব খারাপ লাগতো। সেই খারাপ লাগা থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি বেশি বাংলাদেশি তরুণদের সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করি। কিন্তু আমাদের দেশের তরুণদের মাঝে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্যারিয়ার গড়ার তথ্য এবং নেটওয়ার্ক এর অভাব থাকায় তা সম্ভব সম্ভব হচ্ছিল না। তাই নেটওয়ার্ক বিল্ড আপ এবং সঠিক তথ্য প্রদান , দিকনির্দেশনা দেবার লক্ষ্যে ২০১৫ সালে ‘ইয়ুথ কার্নিভাল’ নামক এই কমিউনিটি গড়ে তোলা হয়েছে যেটা প্রতিবছর বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের উপর লাইভ সেশন করে। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের কোম্পানিগুলোর চাকরির তথ্য প্রদান করা হয়।

Image may contain: 1 person, smiling, standing

* আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

– আমি বিজনেস লিডার হিসেবে কাজ করতে চাই। অর্থাৎ যেকোনো সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে আমার মতামতের মূল্যায়ন করা হবে এবং বাংলাদেশের তরুণদের ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে চাই ।

* তরুণদের নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কী?

-বাংলাদেশের তরুণরা অনেক বেশি সৃষ্টিশীল। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, নতুন কিছু করার শক্তি আমাদের দেশের তরুণদের আছে। ইতোমধ্যে অনেক তরুণ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলোতে ভালো করেছে। বেশ কিছু তরুণ গুগল, মাইক্রোসফটের মতো টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলোতে কাজ করছে। আমি আশা করি – একদিন আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারের বড় একটা অংশ জুড়ে আমাদের তরুণরা কাজ করবে ইনশাল্লাহ।

Image may contain: 4 people, people smiling





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: