Uncategorized

কুরআন পড়তে পড়তে মুয়াজ্জিন এর মৃত্যু

সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত মসজিদ আল-সোলেমানিয়া-এর মুয়াজ্জিন আবদুল হক আল-হালাবি (৬০) কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ফজরের নামাজের আজান দেয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

৬০ বছর বয়সী আবদুল হক আল-হালাবি ফজরের আজানের কিছু সময় আগে আজানের ওয়াক্ত হওয়ার জন্য অপেক্ষ করছিলেন। এ অপেক্ষার সময়টিতে মসজিদে বসে কুরআন তেলাওয়াত করছিলেন। কুরআন তেলাওয়াতে বসা অবস্থায় ঠিক আজানের আগ মুহূর্তে ইন্তেকাল করেন তিনি।

সিরিয়ার বংশোদ্ভূত আল-হালাবি ৪০ বছর আগে সৌদি আরব এসে বসবাস শুরু করেন। তিনি মসজিদেই বেশি সময় অতিবাহিত করতেন এবং কুরআন তেলাওয়াত করতেন। এ এক সৌভাগ্যের মৃত্যু। আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাত দান করুন।

পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। সবাইকেই আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে। আর এ মৃত্যুই হচ্ছে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম।

মসজিদ আল-সোলেমানিয়া-এর মুয়াজ্জিন আবদুল হক আল-হাবিবই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি যিনি আজানের অপেক্ষায় থাকাকালীন সময়ে কুরআন তেলাওয়াতরত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন।

আসুন! আমরা আমাদের নিজেদের জীবনের দিকে নজর দেই। নিজেদেরকে জিজ্ঞাসা করি আখেরাতের জন্য আমাদের প্রস্তুতি কী? আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ইসলাম এবং কুরআনের ছায়া তলে আশ্রয় গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। মৃত্যুর আগে পরকালের পাথেয় সংগ্রহ করার তাওফিক দান করুন। কল্যাণময় মৃত্যু দান করুন। আমিন।

গত ১১ মে দেশে ফেরেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার লন্ডন প্রবাসী মো. মাসুম চৌধুরী। নিয়মানুযায়ী ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা থাকলেও মানছিলেন না তিনি। খবর পেয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তার বাড়ি গিয়ে কোয়ারেন্টিন মানার অনুরোধ করলে উল্টো অসদাচরণ করতে শুরু করেন ওই প্রবাসী।

তিনি বলেন, “লন্ডনে টেস্ট করা হয়েছে। আবার কেন বাংলাদেশে টেস্ট করতে হবে? আমি বাসা থেকে বের হবো। হোমকোয়ারেন্টিন মানব না। প্রয়োজনে আমি ব্রিটিশ হাইকমিশনে আপনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবো।”

খবর পেয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গেলে তার সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন তিনি। 

অবশেষে বিষয়টির সমাধান করতে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে তার বাড়িতে যান উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা আক্তার। ওই প্রবাসী তাকেও পাত্তা দিচ্ছিলেন না। খবর পেয়ে ছুটে যান নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজমা আশরাফী।

সেনাবাহিনীর টহল টিম, পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদেরকে নিয়ে গিয়ে আবারও তাকে হোমকোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়। 

এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের, “ছোট চাকরি করেন, নিচু মানসিকতার লোক” ইত্যাদি বলতে থাকেন তিনি।

একপর্যায়ে পিপিই পরিয়ে ইউএনও তাকে আটকের নির্দেশ দিলে ওই প্রবাসী কিছুটা নমনীয় হয়ে আসেন। এবার তিনি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে যাওয়ার জন্য রাজি হলেও তিনি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ (এসি) ও অ্যাটাচ বাথরুমের দাবি জানান। পরে তাকে পার্শ্ববর্তী বিজয়নগর উপজেলার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়।

এদিকে, শেষ পর্যন্ত ওই প্রবাসী বিজয়নগরে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে যেতে রাজি হলেও তিন বেলা বিরিয়ানি দাবি করেছেন।

নাসিরনগরের ইউএনও নাজমা আশরাফী জানান, এর আগেও ওই পরিবারের দুইজন আমেরিকা প্রবাসী সদস্য তথ্য গোপন করে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করেছিলেন। পরে তাদেরকে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। 

ওই প্রবাসী ও তার পরিবারের আচরণ দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।



Source link

Tags

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: