Uncategorized

কিডনির পাথর উধাও হবে আম পাতায়!

ফলের রাজা আমের দেখা মেলে এই গ্রীষ্মকালেই। আমে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ রয়েছে। তবে জা’নেন কি? শুধু আম নয় আমের পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ওষুধি গুণ। প্রাচীনকাল থেকেই নানা রো’গের দাওয়াই হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আ’সছে আম পাতা।
এই পাতায় রয়েছে বিভিন্ন খনিজ উপাদান, এনজাইম, ভিটামিন এ, বি ও সি। এছাড়াও রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই পাতায় মেঞ্জিফিরিন, ফ্ল্যাভোনয়েড এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদানও থাকে। এসব উপাদান শ’রীরের বিভিন্ন রো’গের স’ঙ্গে লড়াই ক’রতে প্র’স্তুত।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আম পাতার ব্যবহার ও বিভিন্ন রো’গ নিরাময় স’স্পর্কেও বর্ণনা করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কচি আম পাতা রান্না করে খাওয়া হয়। বিভিন্ন গবেষণায় আম পাতার ঔষধি গুণের কথা প্রমাণিত হয়েছে। এবার তবে জে’নে নিন আম পাতার স্বা’স্থ্য উপকারিতাসমূহ-

> ডায়াবেটিস স’মস্যার সমাধানে আমপাতা দুর্দান্ত কাজ করে। কারণ এতে রয়েছে টেনিনস এবং অ্যান্থোসায়ানিন নামে দুটি উপাদান। এগুলো র’ক্তে শর্করার মাত্রা নি’য়ন্ত্রণে রাখে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন আম পাতা দিয়ে তৈরি চা পান করলে উপকার মিলবে।

> উচ্চ র’ক্তচা’পের স’মস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। জা’নেন কি? আম পাতা আপনাকে সু’স্থ রাখতে পারে উচ্চ র’ক্তচা’পের স’মস্যা থেকে। এ পাতায় হাইপোট্যান্সিভ উপাদান আছে, যা উচ্চ র’ক্তচা’প কমতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন এক কাপ আম পাতার চা পান করলে হাইপারটেনশন কমে। ক্ষ’তিগ্রস্ত র’ক্তনালীকে শ’ক্তিশালী হতে সাহায্য করে আম পাতা।

> অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের কারণেই ইউরিক এসিডের স’মস্যা বেড়ে থাকে। আর এই গেঁটে বাত নি’য়ন্ত্রণে অত্যন্ত উপকারী আম পাতা। কিছু কচি আম পাতা পানিতে দিয়ে হলুদ রং না হওয়া পর্যন্ত ফুটিয়ে নিন। উপকারিতা পাওয়ার জন্য প্রতিদিন পান করুন এই পানীয়।

> কিডনি ও গল ব্লাডারের পথ দূ’র ক’রতে আম পাতা কা’র্যকরী ভূমিকা রাখে। এজন্য আম পাতা শুকিয়ে গুঁড়f করে নিন। তারপর সেই গুঁড়f এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পে’টে খান। তাহলেই প্রস্রাবের স’ঙ্গে কিডনিতে জমে থাকা পাথর বেরিয়ে যাবে।

> হেঁচকি ওঠা ও গলা ব্য’থার স’মস্যায় আম’রা যখন তখন পড়তে পারি। এক্ষেত্রে দ্রুত স্বস্তি দেবে আম পাতা। হেঁচকি ওঠার সময় কয়েকটি আম পাতা পু’ড়িয়ে নিঃশ্বা’সের স’ঙ্গে ধোঁয়া নিন। এতে হেঁচকি ওঠা কমবে। সেই স’ঙ্গে গলা ব্য’থা দূ’র ক’রতেও আম পাতা পু’ড়িয়ে সেই ধোঁয়া নিতে থাকুন। তাহলেই দেখবেন গলার ব্য’থা একেবারে কমে গেছে।

> কোথাও পুড়ে গেলে আম পাতার সাহায্যে সেই ক্ষ’ত স্থান সারানো যায়। এক্ষেত্রে কয়েকটি আম পাতা পুড়িয়ে তার ছাই পোড়া স্থানে ব্যবহার ক’রতে হবে।

> অনেকেই শ্বা’সকষ্টের স’মস্যায় ভুগে থাকেন। প্রতিদিন আম পাতা দিয়ে তৈরি চা খেলে প্রায় সব ধ’রনের শ্বা’সজনিত স’মস্যা দূ’র হয়। যারা ব্রঙ্কাইটিস এবং অ্যাজমা স’মস্যায় ভু’গছেন তাদের ক্ষেত্রে আম পাতা এক গু’রুত্ব পূর্ণ দাওয়াই। শ্বা’সকষ্ট দেখা দিলে পরিমাণ মতো পানিতে অল্প করে আম পাতা দিয়ে সেই পানি ফুটিয়ে নিয়ে পান করবেন। তাহলেই দেখবেন কষ্ট কমতে শুরু করেছে।

> পে’টের বিভিন্ন স’মস্যা দূ’র ক’রতে কয়েকটি পাতা পানিতে ফুটিয়ে নিন। এরপর সেই পানি ও পাতা সারা রাত রেখে দিন। পরদিন সকালে খালি পে’টে এই পানীয় পান করুন। পে’টের স্বা’স্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে আম পাতা।

অবশ্যই মনে রাখবেন, আমের কচি পাতা ব্যবহার ক’রতে হবে সব ধ’রনের চিকিৎ’সায়। যেহেতু আম গাছের কচি পাতা সারা বছর পাওয়া যায় না, তাই পাতাগুলো শুকিয়ে সংরক্ষণ ক’রতে পারেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আম পাতা শা’রীরিক বিভিন্ন রো’গের বি’রুদ্ধে লড়াই করে আপনাকে সু’স্থ রাখবে। তবে যাদের সহ্য হয় না, তাদের আম পাতা এড়ানো উচিত।

সূত্র: ডেমিক, স্টাইলক্রেজ



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: