Uncategorized

ওজন কমাতে সারাদিনে মাত্র পাঁচ কাজ

ওজন কমানোর জন্য ডায়েট আর ওয়ার্ক আউটের ওপরেই আমরা ভরসা করি। কিন্তু শুধু এভাবেই ওজন কমানো সম্ভব নয়। আমরা সারাদিন কী কী কাজ করছি,

কতক্ষণ বিশ্রাম করছি, তার সবকিছুর ওপরেই নির্ভর করে আমাদের ওজন বাড়া-কমা। আমাদের সার্বিক জীবনযাত্রা কী রকম, তাই আমাদের ফিটনেস নির্ধারণ করে দেয়।

মেটাবলিজম বাড়াতে তাই প্রতিদিন কখন কোন কাজ করছি, সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এখানে আমরা পাঁচটি কাজের তালিকা তৈরি করে দিলাম, প্রতিদিন এই পাঁচ কাজ করলে আপনার ওজন কমানো অনেকটাই সহজ হবে।

১. পর্যাপ্ত পানি পান
অনেক সময়ই আমরা বুঝতে পারি না যে আমাদের খিদে পেয়েছে না তেষ্টা পেয়েছে। কারণ, শরীরে পানির ঘাটতি হলেও খিদে বোধ অনুভূত হয়। শরীরে পানির অভাব থাকলে যেমন খিদে পায়, তেমন মনমেজাজ খিটখিটে লাগে, কোনও কাজ করতেও ভালো লাগে না।

সে কারণে বিকালে টুকটাক স্ন্যাকস খাওয়ার আগে বড় এক গ্লাস পানি পান করুন। দেখুন তারপরেও আপনার খিদে বোধ হচ্ছে কি না। সাধারণ পানির বদলে ইনফিউসড ওয়াটারও খেতে পারেন।

 

২. শান্তমনে লাঞ্চ সারুন

আপনি যখন লাঞ্চ করবেন, পুরো মনোযোগ খাওয়ার দিকেই দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় চ্যাট করতে করতে বা ইমেইলের উত্তর দিতে দিতে লাঞ্চ করবেন না।

লাঞ্চের জন্য যে ১৫ মিনিট সময় আপনি বের করেছেন, সেটা শুধু আপনার লাঞ্চের জন্যই রাখুন। এতে আপনি কতটা খাচ্ছেন সেদিকে খেয়াল থাকবে এবং অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার প্রবণতা কমবে। ওজন কমানোর জন্য অনেকের সঙ্গে গল্প করতে করতে নয়, একা একা খাওয়া ভালো বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

৩. খিদে পেলে খান

অনেক সময় সারাদিনের ব্যস্ততার মধ্যে আমাদের খিদে পেয়েছে কি না, সেদিকে খেয়াল থাকে না। এর ফলে লাঞ্চে অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়। এই অভ্যেস বজায় থাকলে ওজন কমানো মুশকিল। তাই আপনি কখন কী খাবেন, সেটা ভেবে রাখুন। স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস সঙ্গে মজুত রাখুন।

৪. স্ন্যাকস নিয়ে সাবধান

স্ন্যাকস সাধারণত আমরা অতিরিক্ত খেয়ে ফেলি। আর এটাই ওজন বাড়ার একটা বড় কারণ। সহকর্মীর থেকে কিছুটা ওয়েফার বা স্যান্ড‍ুইচে এক কামড় দিয়ে আপনি হয়তো ভাবলেন, যে এটা কিছুই না। এসবই কিন্তু আপনার ক্যালোরি কাউন্টে যোগ হচ্ছে। তাই ওজন কমাতে চাইলে এসব বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।

৫. হাঁটাচলা করুন

এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকবেন না। অন্তত এক ঘণ্টা পরপর পাঁচ মিনিটের জন্য চেয়ার ছেড়ে উঠুন। লাঞ্চের পর ১৫ মিনিট হালকা গতিতে পায়চারি করে নিন। এর ফলে দুপুরে যে ঝিমুনি আসে, তার থেকেও রেহাই পাবেন। মাঝে মাঝে হাঁটাচলা মন মেজাজও ভালো থাকবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: