শিক্ষা

এসএসসির ফল প্রকাশে সুখবর জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী


দ্রুততর সময়ের মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশের লক্ষে এসএসসির খাতার ওএমআর শিট ডাকযোগে পাঠাতে ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্যান্য এলাকার প্রধান পরীক্ষকদের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

আগামী ১০ মের মধ্যে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে বোর্ডে ওএমআর শিট পাঠাতে হবে। আর ওএমআর পাঠানোর ঠিকানা, সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড ঢাকা, ১৩-১৪ জয়নাগ রোড বকশিবাজার ঢাকা। রোববার ঢাকা বোর্ড থেকে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, কমলা রঙের প্যাকেটে জরুরি উল্লেখ করে সিলমোহরকৃত অবস্থায় পোস্ট অফিসের মাধ্যমে এসএসসির খাতার ওএমআর শীট পাঠাতে হবে প্রধান পরীক্ষকদের। আগামী ১০ মের মধ্যে পাঠাতে হবে ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্যান্য এলাকার প্রধান পরীক্ষকদের।

দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। অঘোষিত লকডাউনের কারণে গত ১৮ মার্চ এসএসসি পরীক্ষার খাতার ওএমআর শিট স্ক্যানিং কার্যক্রম স্থগিত করেছিল ঢাকা বোর্ড।

ফেসবুকে র মুক্তি চেয়ে পোস্ট দেওয়া ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার

যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তি চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ায় বহিষ্কার হয়েছেন ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জিহাদুল ইসলাম। ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিশান মাহমুদ শামীম ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত এই ছাত্রলীগ নেতা গত ২৯ মার্চ জিহাদুল ইসলাম নামের তার ফেসবুক পেজ থেকে জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর কারামুক্তির দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি নজরে আসলে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে এক জরুরি সভায় জিহাদুলকে বহিষ্কার করা হয়।

জিহাদুল ইসলাম ঢাকার বঙ্গবন্ধু আইন কলেজের শিক্ষার্থী। এর আগে তিনি সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ছাত্র ছিলেন। তিনি ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার বাসিন্দা।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে নাটক করে বেশিক্ষণ টিকে থাকা যায় না। অনেকেই সুযোগ বুঝে ভোল পাল্টে দলে ভিড়েছে, কিন্তু সময়ে তাদের আসল চরিত্র প্রকাশ পায়। সাঈদীর মুক্তি চাওয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আদর্শের পরিপন্থী। তথ্য সূত্রঃ জাগোনিউজ

ঈদের আগেই সব তৈরি পোশাক কারখানা খুলে দেয়ার পরিকল্পনা করছে বিজিএমইএ৷ তারা বলছে, করোনায় কোনো শ্রমিকের কিছু হলে তার সব দায়দায়িত্ব মালিকরা নেবেন৷ যদিও এখনো তিনশ কারখানার শ্রমিকরা বেতন পাননি৷

বিজিএমইএর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরশাদ জামাল দিপু জানিয়েছেন, ‘‘ঈদের আগেই সব তৈরি পোশাক কারখানা খুলে যাবে৷’’ আর তৈরি পোশাক মালিকদের এই সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট রুবানা হক বলেছেন, ‘‘করোনায় কোনো শ্রমিকের কিছু হলে সব দায়িত্ব আমরা নেব৷’’



Source link

Tags

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
%d bloggers like this: