Uncategorized

এক করোনা রোগী থেকে কারখানার ৫৩৩ শ্রমিক আক্রান্ত

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানার একটি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় এক শ্রমিকের মাধ্যমে আরো ৫৩৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। রোববার টেলিভিশনে এক ভাষণে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আদ্দো।

গত শুক্রবারই টেমা শহরের কারখানাটিতে ভাইরাস সংক্রমণের কথা জানিয়েছিল ঘানার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। তবে সে সময় বিস্তারিত জানানো হয়নি, খবর সিএনএন।

প্রেসিডেন্ট আকুফো-আদ্দো জানান, নতুন শনাক্ত ৫৩৩ জনকে নিয়ে ঘানায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৭০০ জন, যা পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। দেশটিতে এ পর্যন্ত করোনায় ২২ জন মারা গেছেন। আর সুস্থ হয়েছেন ৪৯৪ জন।

তিনি জানান, সেখানে সংক্রমণ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত এক লাখ ৬০ হাজার ৫০১টি টেস্ট করা হয়েছে। প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে পরীক্ষার হারে আফ্রিকান যে কোনো দেশের মধ্য সবার ওপরে রয়েছে ঘানা।

এসময় মে মাসের শেষ নাগাদ জনসমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি রাখার ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকবে বলেও জানান আকুফো-আদ্দো।

লোকজনরা জানে না যে, পুরুষরা একবার হলেও তাদের দুঃখ দিতে পারে কিন্তু নারীরা কখনই সেটা করে না।একথা একদম স’ত্যি যে বিয়ে দেওয়ার পর মে’য়েরা মে’য়েই থাকে কিন্তু ছেলেরা স্বা’মী হয়ে যায়।

এই জগতে অমূল্য অবদান রয়েছে মহিলাদের। কারণ তাদের থেকেই সৃষ্টি হয় নতুন প্রাণের।আমাদের দেশে এখনো কিছু কিছু গ্রা’ম

রয়েছে যেখানে ক’ন্যা সন্তান জন্ম নিলে রীতিমত শোক পালন করা হয়। অথচ তাদের সত্যিই কোন ধারণা নেই যে বর্তমান যুগে নারীরা কতটা এগিয়ে গেছে। পুরুষদের সাথেই কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সমস্ত রকম দায়িত্ব সামলাতে পারে তারা।

সবাই জানে যে নারীরাই নতুন প্রাণের উৎস, তবুও নারীদের প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হয় না। তবে বলা উচিত যে, বর্তমানে অনেক লোকজনেরই নারীদের স’ম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা পাল্টেছে। আর কোন ধরনের মহিলারা তাদের পরিবার ও

স্বা’মীর জন্য সৌভাগ্যশালী হন। এ ক্ষেত্রে মহিলাদের নির্দিষ্ট কয়েকটি অঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন অঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি নিয়ে আসে:

লম্বা চুলঃযেসব মহিলাদের চুল লম্বা তাদের বরাবরই পরিবারের জন্য অ’ত্যন্ত ভাগ্যশালী মনে করা হয়। এই ধরণের মহিলারা যে পরিবারে যান সেই পরিবারে কখনোই টাকা-পয়সার অভাব হয়না।

বড় চোখঃযেসব মহিলার চোখ বড় হয় তাদের দেখতে তো সুন্দরী লাগেই, এছাড়াও এনারা স্বামীকে অ’ত্যন্ত ভালোবাসেন। যে বাড়িতে এনারা যান সেখানে ধন-সম্পদের আধিক্য ঘটে। এই ধরণের মহিলারা কখনই নিজের স্বামীকে ঠকান না।

লম্বা নাকঃযেসব মহিলাদের নাক লম্বা হয় তাদের সব রকম সমস্যা শান্ত মাথায় সমাধান করার ক্ষমতা থাকে। এনাদের টাকা খরচ করার প্রবণতা থাকে, তবে তারা কখনই বাজে খরচ করেন না।

লম্বা গ*লাঃযেসব মহিলার লম্বা গ*লা আছে তার অ’ত্যন্ত সৌভাগ্যের অধিকারীনি হন।
লম্বা আঙুলঃযেসব মহিলাদের আঙুল লম্বা হয় তারা অ’ত্যন্ত

বুদ্ধীমতি হন, আর তাদের লেখা-পড়া করার দারুণ সখ থাকে। এই ধরণের মহিলারা টাকা-পয়সা কম খরচ করেন এবং টাকা-পয়সা পেলে চেষ্টা করেন তা কিভাবে বাড়ানো যায়।

আরো পরুন ছেলেদের মধ্যে যে জিনিস দেখলে যেকোন মে’য়েরা দুর্বল হয়ে যায়!ছেলেদের কিছু গু’ন

মে’য়েদেরকে আকৃষ্ট করে, দুর্বল করে তোলে। ছেলেদের কাছে এ বিশেষ গুনগুলো থাকলে তার প্রতি অনেক মে’য়ের ভালবাসা জাগে। এ গুনগুলোর মধ্যে উচ্চতা, গায়ের রং বা বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের মাঝে আরও বিশেষ কিছু খোঁজেন মে’য়েরা। বিষয়টা পুরোপুরিই মনো-দৈহিক। শরীর তো আছেই, সঙ্গে অবশ্যই থাকতে হবে

আবেগ-অনুভূতিও।নারীর হূদয় জয়ে সফল হতে হলে এসব পুরুষালি গুণের চর্চায় মনোযোগী হতে পারেন আজ থেকেই। পড়ুন এমন ছয়টি গুণের কথা—
ফিটফাট থাকুন

নারীরা দীর্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কী’’ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন।

আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। তাঁরা ভাবেন, যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমা’র দেখভাল করবেন কী’’ করে?

সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কা’টা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা আজই ছাড়ুন।

নিজের রুচি তুলে ধরুন
দামি ব্র্যান্ডের জামা-জুতো হতে হবে বিষয়টা মোটেও এমন নয়। আর যদি একটার সঙ্গে বেমানান আরেকটা এই ব্র্যা’ন্ডের শার্ট, ওই ব্র্যান্ডের জুতো,

সেই ব্র্যা’ন্ডের জিনস হয় তাহলে তা আপনাকে দেখেই দৌড়ে পালাতে পারে যে কেউ।

তাই সাধারণ দোকান থেকে কেনা হলেও পোশাকে-আশাকে নিজের রু’চি পছন্দটা তুলে ধরুন। আর খেয়াল রাখু’ন তা যেন আপনার শারীরিক গড়ন আর গায়ের রঙের সঙ্গে মানানসই হয়।

নিজের একটা স্টাইল গড়ে তুলুন।আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যেমন নারীদের ‘সন্ন্যাসিনী’ সেজে থাকা পছন্দ করেন না, ঠিক তেমনি আধুনিক নারীরাও ‘অফিস টাইপ’ পোশাকের পুরুষদের পছন্দ করেন না।

মুখে হাসি ফোটান
রসবোধ থাকা’টা যে কারও জন্যই উঁচুমানের গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের চরিত্রে নারীরা এটা খোঁজেন। প্রাত্যহিক জীবনে এমনিতেই ব’হু

ঝুট-ঝামেলা নিয়ে ত্যক্ত-বির’ক্ত হয়ে থাকার মতো যথেষ্টই কারণ থাকে নারীদের। তাই একজন মনম’রা টাইপ সঙ্গী তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। তাই নিজে হাসুন, তাঁর মুখেও হাসি ফোটাতবে খেয়াল রাখতে হবে

ঠাট্টা-তামাশা করতে গিয়ে সব সময়ই অন্য কাউকে খাটো করা, আ’ঘাত করা মোটেই কাজের কথা না। অনেক নারীই এটা রীতিমতো অ’পছন্দ করেন। আর যে পুরুষ হাসিমুখে নিজের ভুল স্বী’কার করতে পারেন,

নিজেকে নিজেই মশকরা করতে পারেন, তাঁর প্রতি নারীদের আকর্ষণ কতটা তীব্র সে বিষয়ে আম’রা কিছু বলব না, আপনি নিজেই তা পরীক্ষা করে দেখু’ন।

তাঁকে বুঝতে দিন যে আপনি য’ত্নবান
নারীরা সব সময়ই বারবারই এটা নিশ্চিত হতে চান যে তাঁকে কেউ ভালোবাসছেন, তাঁর খে’য়াল রাখছেন।

তাঁর হাত ধরে হাঁটা, সুযোগ পেলে একসঙ্গে সূ’র্যাস্ত দেখা—হোক তা বারান্দায় দুই মিনিটের জন্য, মাঝেমধ্যেই জড়িয়ে ধ’রা, রাস্তা পেরোনোর সময় তাঁর খেয়াল রাখার মতো কাজগুলোকে মোটেই অবহেলা করবেন না। আপনার এসব ছোট ছোট অভ্যাস থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়। কখনো

কখনো রা’স্তায়, বেড়াতে গিয়ে সবার সামনে তাঁর হাত ধরে হাঁটা মানে আপনি তাঁকে নিয়ে গর্বিত। তবে এ চর্চা যেন হয় জড়তাহীন, সাবলীল আর আতিশয্য বর্জিত।

ও চোখে চোখ পড়েছে
যখনই তাঁর চোখে চোখ

রেখে তাকান। মিষ্টি করে এ’কবার হাসুন। ভালোবাসার চোখে সরাসরি তাঁর চোখে তাকালে একজন নারী যে অনুভূতি পান তার তুলনা করা দুষ্কর। আপনার ওই চাহনিতে নিজেকে লাখে একজন মনে হতে

পারে তাঁর। আর মা’ঝেমধ্যেই চোখে চোখ রেখে তাকানোটা জরুরি। কেননা, অনেক কথায় যা হয় না, চোখের ভাষায় সেটা বলা হয়ে যেতে পারে



Source link

Tags

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Articles

Back to top button
Close
%d bloggers like this: